নেপালে টানা ভারী বৃষ্টিতে ফের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৪ জন। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দুটি ভিডিওতে কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে পাহাড়ের বিশাল অংশ ধসে নদীতে পড়া এবং পুরো পাহাড়ি ঢাল উপত্যকার দিকে নেমে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে।
রোববার মুস্তাং জেলার লেতে এলাকায় একটি পাহাড়ের বড় অংশ ধসে কালীগণ্ডকী নদীতে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, মুহূর্তের মধ্যে মাটি-পাথরের বিশাল স্তূপ নদীতে গিয়ে পড়ছে। ধসের কারণে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হলেও পরে পানির প্রবল স্রোত নতুন পথ তৈরি করে প্রবাহিত হয়। কয়েকজন তীর্থযাত্রী ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করেন বলে জানা গেছে।
অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পাহাড়ের ঢাল থেকে বিপুল পরিমাণ মাটি ও পাথর নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। সঙ্গে ভেসে যাচ্ছে গাছ ও একটি বাড়ির অংশ। স্থানীয়দের আতঙ্কের চিৎকারও শোনা যায়। গণ্ডকী প্রদেশে টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টির পর কালীগণ্ডকী নদীর পানি শনিবার থেকে বাড়তে শুরু করে এবং রোববার তা ভয়াবহ বন্যার রূপ নেয়।
মুস্তাং, মিয়াগদি, পর্বত, স্যাংজা, বাগলুং ও পালপাসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পর্বত জেলার একটি বসতিতে কালীগণ্ডকীর পানি ঢুকে প্রায় ৮০টি বাড়ি ভেসে গেছে। বিভিন্ন স্থানে ভূমিধসে মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজও ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে মানাং জেলার ৭ হাজার ১২৬ মিটার উঁচু হিমলুং হিমাল এলাকায় রোববার তুষারধসে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আরও অন্তত ১০ থেকে ১৪ জন নিখোঁজ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে; উদ্ধারকারী দল দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার অভিযানও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
নেপালের সাম্প্রতিক এই দুর্যোগের পর হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটি গত ২৬ আগস্টের ভয়াবহ ভোটেকোশী বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন করে বন্যা, ভূমিধস ও তুষারধসের মুখে পড়ল।
রোববার মুস্তাং জেলার লেতে এলাকায় একটি পাহাড়ের বড় অংশ ধসে কালীগণ্ডকী নদীতে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, মুহূর্তের মধ্যে মাটি-পাথরের বিশাল স্তূপ নদীতে গিয়ে পড়ছে। ধসের কারণে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হলেও পরে পানির প্রবল স্রোত নতুন পথ তৈরি করে প্রবাহিত হয়। কয়েকজন তীর্থযাত্রী ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করেন বলে জানা গেছে।
অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পাহাড়ের ঢাল থেকে বিপুল পরিমাণ মাটি ও পাথর নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। সঙ্গে ভেসে যাচ্ছে গাছ ও একটি বাড়ির অংশ। স্থানীয়দের আতঙ্কের চিৎকারও শোনা যায়। গণ্ডকী প্রদেশে টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টির পর কালীগণ্ডকী নদীর পানি শনিবার থেকে বাড়তে শুরু করে এবং রোববার তা ভয়াবহ বন্যার রূপ নেয়।
মুস্তাং, মিয়াগদি, পর্বত, স্যাংজা, বাগলুং ও পালপাসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পর্বত জেলার একটি বসতিতে কালীগণ্ডকীর পানি ঢুকে প্রায় ৮০টি বাড়ি ভেসে গেছে। বিভিন্ন স্থানে ভূমিধসে মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজও ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে মানাং জেলার ৭ হাজার ১২৬ মিটার উঁচু হিমলুং হিমাল এলাকায় রোববার তুষারধসে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আরও অন্তত ১০ থেকে ১৪ জন নিখোঁজ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে; উদ্ধারকারী দল দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার অভিযানও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
নেপালের সাম্প্রতিক এই দুর্যোগের পর হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটি গত ২৬ আগস্টের ভয়াবহ ভোটেকোশী বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন করে বন্যা, ভূমিধস ও তুষারধসের মুখে পড়ল।
আন্তজার্তিক ডেস্ক